এখানেই শেষ না কিন্তু। থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি ভাল হয়। এটি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান দেয়।

Healthy Lifestyle: গ্রাম-বাংলার অবহেলার পাতা… এতেই লুকিয়ে আছে বয়স কমার জাদুমন্ত্র, সুপারফুড! একবার খেলেই কামাল!

বেশিরভাগ মানুষই পেটের সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে অব্যর্থ হল থানকুনি পাতা।
বেশিরভাগ মানুষই পেটের সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে অব্যর্থ হল থানকুনি পাতা।
তবে শুধু পেটের অসুখ কমানোই কিন্তু এর কাজ নয়। সকালে খালি পেটে তিন থেকে চারটে থানকুনি পাতা ভাল করে ধুয়ে খেতে পারলে ভেলকি দেখাবে আপনার যৌবন।
তবে শুধু পেটের অসুখ কমানোই কিন্তু এর কাজ নয়। সকালে খালি পেটে তিন থেকে চারটে থানকুনি পাতা ভাল করে ধুয়ে খেতে পারলে ভেলকি দেখাবে আপনার যৌবন।
ত্বকের হাল ফেরাতে জাদুর মতো কাজ করে এই পাতা। শুধু জানতে হবে সঠিক উপায়টা।
ত্বকের হাল ফেরাতে জাদুর মতো কাজ করে এই পাতা। শুধু জানতে হবে সঠিক উপায়টা।
থানকুনি পাতায় আছে একাধিক ভিটামিন ও মিনারেল যা ত্বকের স্বাস্থ্য ধরে রাখে। এই পাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের টক্সিন বের করে ত্বককে উজ্জ্বল করে।
থানকুনি পাতায় আছে একাধিক ভিটামিন ও মিনারেল যা ত্বকের স্বাস্থ্য ধরে রাখে। এই পাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের টক্সিন বের করে ত্বককে উজ্জ্বল করে।
থানকুনি পাতার রস ত্বকের জটিল রোগ সারাতে বেশ কার্যকরী। এই পাতা খেলে ত্বকের জেল্লা বাড়ে। সজীবতা বাড়ে।
থানকুনি পাতার রস ত্বকের জটিল রোগ সারাতে বেশ কার্যকরী। এই পাতা খেলে ত্বকের জেল্লা বাড়ে। সজীবতা বাড়ে।
এখানেই শেষ না কিন্তু। থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি  ভাল হয়। এটি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান দেয়।
থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি আরও ভাল হয়। এটি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান দেয়।
 পাশাপাশি পেন্টাসাইক্লিক ট্রিটারপেন্স নামের একটি উপাদানের ঘাটতি কমায়। এতেই মস্তিষ্কের কোষগুলি আরও ভালভাবে কাজ করে। উন্নত হয় স্মৃতিশক্তি। বয়স্ক মানুষদের জন্য এটি সমানভাবে কার্যকরী। যদি নিয়মিত থানকুনি পাতার রস খেলে বেশি বয়সে অ্যালঝাইমার্স বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের আশঙ্কা কমানো যায়।
পাশাপাশি পেন্টাসাইক্লিক ট্রিটারপেন্স নামের একটি উপাদানের ঘাটতি কমায়। এতেই মস্তিষ্কের কোষগুলি আরও ভালভাবে কাজ করে। উন্নত হয় স্মৃতিশক্তি। বয়স্ক মানুষদের জন্য এটি সমানভাবে কার্যকরী। যদি নিয়মিত থানকুনি পাতার রস খেলে বেশি বয়সে অ্যালঝাইমার্স বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের আশঙ্কা কমানো যায়।