মেডিক্যাল অ্যাস্ট্রোলজি কী?

Planetary Health: মেডিক্যাল অ্যাস্ট্রোলজি কী? চলতি বছর গ্রহের অবস্থান সংক্রান্ত সর্বজনীন টোটকা বাতলে দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ

মেডিক্যাল অ্যাস্ট্রোলজি হল এক প্রাচীন বিজ্ঞান। যেখানে কোনও জাতক-জাতিকার জন্মের সময় গ্রহের অবস্থান পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। আর সেই অবস্থানের প্রভাবে সারা জীবন জাতক-জাতিকার স্বাস্থ্য কেমন থাকবে, সেটাও নির্ধারণ করা যায়। বৈদিক ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত এই বিষয়টি। এই সমস্ত মহাজাগতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে অ্যাস্ট্রোকাপুর-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কাপুর পার্সোনালাইজড সমাধান প্রদান করে। মহাজাগতিক গতিবিধির সঙ্গে স্বাস্থ্য এবং মনের যোগের উপরও জোর দিয়ে থাকেন তিনি। সেই মেডিক্যাল অ্যাস্ট্রোলজি সম্পর্কে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

আরও পড়ুনঃ  চলতি বছরের দ্বিতীয় সূর্যগ্রহণ কবে? কোথা থেকে স্পষ্ট দেখতে পাবেন? জেনে নিন এখানে

মেডিক্যাল অ্যাস্ট্রোলজি:
কোনও জাতক-জাতিকার জন্মপঞ্জিকায় গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ গবেষণা হয় মেডিক্যাল অ্যাস্ট্রোলজিতে। এর জেরে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উদ্বেগ বোঝা যায়। প্রত্যেকের বিষয়ই অনন্য হয়ে থাকে। জাতক-জাতিকার জ্যোতিষ সংক্রান্ত প্রোফাইল অনুযায়ী সমাধান প্রদান করা হয়। গ্রহের অবস্থানের প্রভাব বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা শনাক্ত করেন কাপুর। সেই অনুযায়ী নির্দিষ্ট সমাধান বা টোটকাও বাতলে দেন।

২০২৪-এর জন্য সর্বজনীন টোটকা:
এমনিতে এই টোটকা এক-এক জনের ক্ষেত্রে এক-এক রকম হয়। জাতক-জাতিকাদের জন্মপত্রিকা অনুসারে তা তৈরি করা হয়। তবে ২০২৪ সালের জন্য সর্বজনীন এই সেরা ৩টি টোটকার কথা বলেছেন কাপুর। দেখে নেওয়া যাক সেগুলি।

বৃক্ষ রোপণ:
বৃক্ষ রোপণ করলে তা গ্রহের প্রভাবের উন্নতি ঘটাতে সহায়ক হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত এবং পরিবেশগত স্বাস্থ্যেরও ব্যাপক উন্নতি হয়।

অভাবগ্রস্তদের উদ্দেশ্যে দানধ্যান:
সেবামূলক কাজ বিশেষ করে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশেষ উপযোগী হতে পারে। প্রতি শনিবার করে অভাবগ্রস্ত মানুষদের খেতে দেওয়া উচিত। কিংবা হাসপাতালে অথবা অভাবগ্রস্ত রোগীদের খেতে দেওয়া আবশ্যক। এতে গ্রহের প্রভাবের ইতিবাচকতা বৃদ্ধি পায়। আর জাতক-জাতিকারাও ভাল থাকেন।

ঘরে কিংবা কর্মক্ষেত্রের সাজসজ্জায় নির্দিষ্ট রঙের ব্যবহার:
বাড়ির অন্দরসজ্জা, কাজের জায়গার সাজসজ্জায় চলতি বছরে ইন্ডিগো এবং হলুদ রঙের ব্যবহার করতে হবে। শুধু তা-ই নয়, পরার চেষ্টা করতে হবে এই দুই রঙের জামাকাপড়ই। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই ট্রেন্ড জারি রাখতে হবে। এতে শারীরিক রোগ প্রতিরোধ হবে।