কল্যাণীতে সেই সমস্ত বিষয়ে জানতে সকলে একত্রে 

Nadia News: স্বপ্ন আর দূরে নয়! আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারবেন সকলে, কী ভাবে জেনে নিন

নদিয়া: আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের ছেলেমেয়েরাও বিদেশে গিয়ে ডক্টরেট এবং পোস্ট গ্রাজুয়েট করার সুযোগ পাবেন। বিদেশে ছাত্রছাত্রীরা গবেষণামূলক পড়াশোনা কী ভাবে করবেন, তা নিয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন হয় নদিয়ার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম হলে। বিদেশ এবং এদেশের বৈদেশিক পড়াশোনায় পারদর্শি এবং অভিজ্ঞরা এ বিষয়ে করেন আলোকপাত।

কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অমলেন্দু ভূঁইয়া জানান, কল্যাণী ইউনিভার্সিটি উদ্যোগে ইউ এস আই ই এফের মাধ্যমে কনসাল জেনারেল মালিন্দা পাভেট সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি আমেরিকায় কী কী সুযোগ-সুবিধা রয়েছে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট এবং ডক্টরাল ডিগ্রিতে এবং কত ধরনের ফেলোশিপ, স্কলারশিপ রয়েছে সেই সংক্রান্ত একটি ইন্টারেকশন প্রোগ্রাম করতে চান। তারপর সেই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অমলেন্দু জানান, তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সব ছাত্রছাত্রীরা রয়েছেন, তাঁরা বেশিরভাগই দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা। সেই সমস্ত পরিবার থেকে উঠে আসা কৃতী ছাত্রছাত্রীরা তখনই আমেরিকায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি পড়তে যাবেন, যখন তাঁরা একটি যথাযথ অ্যামাউন্টে ফেলোশিপ অর্থাৎ স্কলারশিপ পায়। নয়তো তাঁদের পক্ষে কখনই আমেরিকার মতো দেশে গিয়ে পড়াশোনা করা ডিগ্রি অর্জন করা সম্ভব নয়।

অমলেন্দু বলেন, “আমেরিকা অত্যন্ত ধনী একটি দেশ বিশ্বের অনেক ভাল ভাল ইউনিভার্সিটি সেখানে রয়েছে আমাদের কৃতি ছাত্র-ছাত্রীরা যদি সেখানে গিয়ে পড়াশোনা করে তাহলে তারা শুধু বিশ্বব্যাপী চাকরিই নয় নিজেরা স্বাধীন উদ্যোক্তা হিসেবে বিভিন্ন ব্যবসাতেও সাফল্য অর্জন করবে। এমনকি তাঁরা শিক্ষকতার পেশাতেও খুব সহজেই নিযুক্ত হতে পারবে।আমেরিকার মতো দেশ নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে সব সময় অবগত। আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা যদি সেখানে গিয়ে সেই সমস্ত কিছু শিখতে পারে তাহলে তাদের পক্ষে আরও সুবিধা হবে ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য। এর আগেও এরকম অনুষ্ঠান হয়েছে। এবং সংখ্যাটা অল্প হলেও কিছু স্টুডেন্ট আমেরিকাতে এর আগেও গিয়েছে এবং ফেলোশিপ নিয়ে কাজ করছে।”

আরও পড়ুন: লোকশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই! শ্রী শক্তি আওয়ার্ড পাচ্ছেন বাঁকুড়ার কন্যা

আরও পড়ুন: এবার থেকে ‘এই’ জায়গায় গাড়ি চালাতে গেলে মানতে হবে নতুন নিয়ম… জানেন তো?

শিক্ষকদের জন্যও রয়েছে সুযোগ-সুবিধা। নেহেরু ফুল ব্রাইট স্কলারশিপটি যদি পাওয়া যায়, তাঁরাও সেখানে গিয়ে একাধিক সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন এবং তার ফলে বিভিন্ন গবেষণামূলক কাজে আমাদের আরও উন্নতি সাধন ঘটবে এই আশা আমাদের থাকছে। অমলেন্দু বলেন, “তিনজন প্রফেসর আমাদের এখানে রয়েছে যারা সেই ডিগ্রি প্রাপ্ত করে তারা এখানে অধ্যাপনা করছেন।”

সেদিনের এই প্রোগ্রামে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ৫০০-র বেশি ছাত্রছাত্রী রিসার্চ স্কলার এবং শিক্ষকেরা উপস্থিত রয়েছেন। একটা ইন্টারেকশন প্রোগ্রাম আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে কী কী ধরনের সুযোগ সুবিধা আমেরিকায় রয়েছে, তা জানানো হয়। কোন কোন ইউনিভার্সিটি রয়েছে এবং র‍্যাঙ্কিংয়ের তালিকায় তাদের অবস্থান কোথায় রয়েছে, কখন কোথায় কী ভাবে সেই সমস্ত ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করতে হবে, কী কী বিষয় গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে সেখানে, সবই জানানো হয়।

মৈনাক দেবনাথ