Tag Archives: kheer

Kheer-Payesh-Firni: ক্ষীর, ফিরনি ও পায়েসের মধ্যে কী পার্থক্য জানেন? দেখে একরকম লাগলেও রয়েছে সূক্ষ্ম ফারাক, রেসিপিতেই লুকিয়ে উত্তর

বিয়েবাড়ি কিংবা যে কোনও অনুষ্ঠান-বাড়িতে ভুরিভোজের মধ্যে থাকে ক্ষীর, ফিরনি বা পায়েস দেওয়ার প্রথা। জানেন কি এদের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে?
বিয়েবাড়ি কিংবা যে কোনও অনুষ্ঠান-বাড়িতে ভুরিভোজের মধ্যে থাকে ক্ষীর, ফিরনি বা পায়েস দেওয়ার প্রথা। জানেন কি এদের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে?
স্বাদ কাছাকাছি হলেও ক্ষীর, ফিরনি ও পায়েসের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। ফিরনি শুধু দুধ দিয়ে রান্না হয়। থাকে তেজপাতা, দারুচিনি।
স্বাদ কাছাকাছি হলেও ক্ষীর, ফিরনি ও পায়েসের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। ফিরনি শুধু দুধ দিয়ে রান্না হয়। থাকে তেজপাতা, দারুচিনি।
পায়েসে বাদাম, গুড় ও অন্যান্য জিনিস দেওয়া হয় স্বাদ বাড়ানোর জন্য। আর পায়েসের কড়া সংস্করণ হচ্ছে ক্ষীর।
পায়েসে বাদাম, গুড় ও অন্যান্য জিনিস দেওয়া হয় স্বাদ বাড়ানোর জন্য। আর পায়েসের কড়া সংস্করণ হচ্ছে ক্ষীর।
একদম মাখা মাখা ভাতের মতো হয় ক্ষীর। ক্ষীর দুধ-চিনির হয়, আবার গুড়েরও হয়।
একদম মাখা মাখা ভাতের মতো হয় ক্ষীর। ক্ষীর দুধ-চিনির হয়, আবার গুড়েরও হয়।
পায়েস সুগন্ধি মিহি চালের, ঘন দুধ আর চিনি দিয়ে তৈরি। ফিরনি তৈরি হয় সুগন্ধি চালের খুদ বা আধাভাঙা চালের সঙ্গে দুধ, নারকেল, চিনি অথবা খেজুর গুড় দিয়ে।
পায়েস সুগন্ধি মিহি চালের, ঘন দুধ আর চিনি দিয়ে তৈরি। ফিরনি তৈরি হয় সুগন্ধি চালের খুদ বা আধাভাঙা চালের সঙ্গে দুধ, নারকেল, চিনি অথবা খেজুর গুড় দিয়ে।
পায়েস খানিকটা পাতলা ধরনের হয়। ফিরনি ঘন দুধে আঠালো ধরনের হয়। ক্ষীর হয় একেবারেই জমাট ধরনের।
পায়েস খানিকটা পাতলা ধরনের হয়। ফিরনি ঘন দুধে আঠালো ধরনের হয়। ক্ষীর হয় একেবারেই জমাট ধরনের।

Purnima Tithi Rituals: পূর্ণিমা তিথিতে অবশ্যই খান এই শুভ খাবার! ঘরসংসার ভরে থাকবে সম্পদ সমৃদ্ধি ও প্রাচুর্যে

সনাতনী সংস্কৃতি এবং রীতিনীতি ও ঐতিহ্য অনুযায়ী পূর্ণিমা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। উপবাসব্রত পালনের পাশাপাশি আরও নানা আচার অনুষ্ঠান অনুসরণ করা হয়। তৈরি করা হয় বিশেষ খাবার।
সনাতনী সংস্কৃতি এবং রীতিনীতি ও ঐতিহ্য অনুযায়ী পূর্ণিমা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। উপবাসব্রত পালনের পাশাপাশি আরও নানা আচার অনুষ্ঠান অনুসরণ করা হয়। তৈরি করা হয় বিশেষ খাবার।

 

পূর্ণিমা তিথিতে ক্ষীর বা পায়েস বা পরমান্ন তৈরি করা এবং আহার হিসেবে গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের নানা প্রান্তে নানা ভাবে তৈরি করা হয় পায়েস।
পূর্ণিমা তিথিতে ক্ষীর বা পায়েস বা পরমান্ন তৈরি করা এবং আহার হিসেবে গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের নানা প্রান্তে নানা ভাবে তৈরি করা হয় পায়েস।

 

পূর্ণিমায় পায়েস তৈরি করা হবে এবং খাওয়ার কী মাহাত্ম্য, সে বিষয়ে বলেছেন জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞ অরবিন্দ ত্রিপাঠী।
পূর্ণিমায় পায়েস তৈরি করা হবে এবং খাওয়ার কী মাহাত্ম্য, সে বিষয়ে বলেছেন জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞ অরবিন্দ ত্রিপাঠী।

 

প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী পূর্ণিমা তিথি হল চন্দ্রদেবতার উপাসনার তিথি। চাঁদ বা চন্দ্রদেবতা হলেন শান্তি, বিশুদ্ধতা এবং শুভ্রতার প্রতীক। মনে করা হয়, চন্দ্রদেবতার উপাসনা করলে মানসিক প্রশান্তি লাভ করা যায়।
প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী পূর্ণিমা তিথি হল চন্দ্রদেবতার উপাসনার তিথি। চাঁদ বা চন্দ্রদেবতা হলেন শান্তি, বিশুদ্ধতা এবং শুভ্রতার প্রতীক। মনে করা হয়, চন্দ্রদেবতার উপাসনা করলে মানসিক প্রশান্তি লাভ করা যায়।

 

পায়েসের শুভ্রতাকে চাঁদের প্রতীক বলে মনে করা হয়। তাছাড়া এই পুণ্যতিথিতে অনেকেই উপবাসব্রত পালন করেন। উপবাসব্রত ভঙ্গ করার জন্য পায়েসের মতো সাত্তিক এবং পুষ্টিকর আহার জুড়িহীন।
পায়েসের শুভ্রতাকে চাঁদের প্রতীক বলে মনে করা হয়। তাছাড়া এই পুণ্যতিথিতে অনেকেই উপবাসব্রত পালন করেন। উপবাসব্রত ভঙ্গ করার জন্য পায়েসের মতো সাত্তিক এবং পুষ্টিকর আহার জুড়িহীন।

 

দিনভর উপবাস ব্রতপালনের পর শারীরিক মানসিক ক্লান্তি আসে। সেখানে পায়েসের মতো খাবার দ্রুত কর্মশক্তি ও পুষ্টিগুণের যোগান দেয়।
দিনভর উপবাস ব্রতপালনের পর শারীরিক মানসিক ক্লান্তি আসে। সেখানে পায়েসের মতো খাবার দ্রুত কর্মশক্তি ও পুষ্টিগুণের যোগান দেয়।

 

পায়েস হল বিশুদ্ধতা এবং পবিত্রতার প্রতীক। তাই পূর্ণিমাতিথি উদযাপনের জন্য এই খাবার আদর্শ।
পায়েস হল বিশুদ্ধতা এবং পবিত্রতার প্রতীক। তাই পূর্ণিমাতিথি উদযাপনের জন্য এই খাবার আদর্শ।

 

ভারতীয় সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধি ও প্রাচুর্যের প্রতীক হল পায়েস বা পরমান্ন। এই খাবার যে কোনও শুভ অনুষ্ঠানের অঙ্গ।
ভারতীয় সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধি ও প্রাচুর্যের প্রতীক হল পায়েস বা পরমান্ন। এই খাবার যে কোনও শুভ অনুষ্ঠানের অঙ্গ।